পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে দ্বীনের ব্যাপক প্রচার-প্রসার ও খেলাফত প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা এবং জীবনের সর্বস্তরে দ্বীনবাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা।
খেলাফত প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী সর্বস্তরের জনগণকে খেলাফতমজলিসের আওতায় সংঘবদ্ধ করা।
দাওয়াত, সংগঠন, প্রশিক্ষণ ও গণআন্দোলনের মাধ্যমে আদর্শিক কর্মী তৈরি করা এবং সকল প্রকার শোষণ-বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের কর্মপন্থার ভিত্তি।
প্রচলিত সমাজ কাঠামোর পরিবর্তনের লক্ষ্যে আদর্শহীন সুবিধাবাদী, দুর্নীতিপরায়ণ, ফাসেক ও স্বৈরাচারী নেতৃতের অবসান ঘটিয়ে জনগণের আস্থাভাজন হক্কানী উলামা, দ্বীনদার-রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
মুসলিম উম্মাহর সর্বপ্রকার বিরোধ-বিভেদ অবসান এবং ইসলামের জন্য কর্মরত বিভিন্ন দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালানো।
শোষিত-বঞ্চিত-মজলুম নারী, পুরুষ ও শিশুদের সকল প্রকার ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সংগ্রাম করা এবং আর্ত-মানবতার সেবায় সচেষ্ট থাকা।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সমূহের মৌলিক, মানবিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অধিকারসমূহ সংরক্ষণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা চালানো।
সা¤্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরোধিতা, মুক্তিকামী মজলুম জাতিসমূহের পক্ষালম্বন এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠন।
কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন, জনগণের সকল প্রকার মৌলিক ও মানবিক অধিকার সংরক্ষণ ও নিশ্চিতকরণ তথা খেলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাপক জনমত তৈরী ও গণআন্দোলন গড়ে তোলা।
ইসলামী সমাজব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে সৃষ্ট নৈরাজ্য ও হতাশার বিপরীতে, বাংলার যমীনে আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার এক আপসহীন আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর আমাদের পথচলা শুরু হয়।
© ২০২৫ – বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।