৭
সত্তরের নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকার কেঁড়ে নেয়া হয়েছিল, ফলশ্রুতিতে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে গিয়েছিল। বিগত স্বৈরাচার উন্নয়নের গণতন্ত্রের কথা বলে ভোটাধিকার চুরি করেছিল, ফলশ্রুতিতে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
চব্বিশ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গঠনে ঐতিহাসিক গণভোটে এই দেশের জনগণের দেয়া ভোট নিয়ে লুকোচুরি খেলা হচ্ছে। আবারও ভোটাধিকার হরণের পায়তারা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সবুজবাগ জোন আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন সংগঠনটির আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। গণমানুষের জীবন আজ বিপর্যস্ত। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি আমাদেরকে আতংকিত করে তুলছে। এসকল সংকট উত্তরণে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
জোন তত্বাবধায়ক মাওলানা আতিক উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সহ তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা সালেহ উদ্দিন কাজীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী,মাওলানা ফয়সাল আহমদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, সহপ্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নূর মোহাম্মদ আজিজী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ছানাউল্লাহ আমিনী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ রাকীবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু হানিফ নোমান, যুব মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মোহাম্মদ জসিমুদ্দীন,খেলাফত ছাত্র মজলিস কেন্দ্রীয় সমাজকল্যান সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নির্বাহী সদস্য মাওলানা ফয়জুল্লাহ,মুগদা থানা সভাপতি মাওলানা রুকনুজ্জামান,সবুজবাগ থানা সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, খিলগাঁও সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফয়জুল্লাহ, রামপুরা থানা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আব্দুল কাদের শাহিন প্রমুখ।
